Morning Times
সাম্প্রতিক
সদ্যআজ জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সফর সঙ্গী হচ্ছেন যারা সদ্যমধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে কি ক্ষমতা হারাবেন ট্রাম্প? সদ্যইরানে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের মার্কিন হামলা! সদ্যসৌদির দুই রুটে ফ্লাইট স্থগিত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত সদ্যতত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদ্যমোহাম্মদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার সদ্যপাঠ্যবই থেকে দাঁড়িপাল্লার ছবি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত সদ্যবিত্তবান ব্যবসায়ীদের ফাঁদে ফেলত হানিট্র্যাপ চক্র সদ্যবিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার স্বর্ণের চুড়ি উদ্ধার সদ্য৭৫ হাজার টাকার শাড়ির মামলা, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে তদন্তে সিআইডি সদ্যআজ জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সফর সঙ্গী হচ্ছেন যারা সদ্যমধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে কি ক্ষমতা হারাবেন ট্রাম্প? সদ্যইরানে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের মার্কিন হামলা! সদ্যসৌদির দুই রুটে ফ্লাইট স্থগিত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত সদ্যতত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদ্যমোহাম্মদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার সদ্যপাঠ্যবই থেকে দাঁড়িপাল্লার ছবি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত সদ্যবিত্তবান ব্যবসায়ীদের ফাঁদে ফেলত হানিট্র্যাপ চক্র সদ্যবিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার স্বর্ণের চুড়ি উদ্ধার সদ্য৭৫ হাজার টাকার শাড়ির মামলা, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে তদন্তে সিআইডি
ট্রেন্ডিং ক্রিকেট চলচ্চিত্র জলবায়ু ফুটবল শিক্ষানীতি শেয়ারবাজার
মর্নিং টাইমস ডেস্ক ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৬ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৭ পিএম

আসামে ১১০০ মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০ মসজিদ

আসামে ১১০০ মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০ মসজিদ
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে দুই দিনের উচ্ছেদ অভিযানে এক হাজার ১০০টির বেশি মুসলিম পরিবারের বাড়িঘর ভেঙে দিয়েছে প্রশাসন। একই অভিযানে ১০টির বেশি মসজিদও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্ক্রলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৭ ও ১৮ অক্টোবর আসামের নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাট জেলায় এসব উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদের শিকার পরিবারগুলোর অধিকাংশই বাংলাভাষী মুসলিম।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৭ অক্টোবর তিন জেলায় ৫৪৭টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়। এর মধ্যে নগাঁওয়ে ৩৩৬টি, হোজাইয়ে ১৫২টি এবং গোলাঘাটে ৫৯টি পরিবার রয়েছে। পরদিন ১৮ অক্টোবর নগাঁওয়ের লুটুমারি-লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আরও ৫০০ থেকে ৬০০ পরিবারের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে দুই দিনে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারের সংখ্যা এক হাজার ১০০ ছাড়িয়েছে।

নগাঁওয়ের লুটুমারি বনাঞ্চলে কয়েক দশক ধরে বসবাসকারী পরিবারগুলোর দাবি, তাঁরা নতুন করে সেখানে অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করেননি। তাঁদের পূর্বপুরুষেরা বন বিভাগের কাজে যুক্ত ছিলেন। সে সময় সরকার তাঁদের ওই এলাকায় বসবাসের সুযোগ দিয়েছিল বলে দাবি তাঁদের।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল নূর স্ক্রলকে জানান, ১৯৭৪ সালে তাঁর পরিবারসহ কয়েকটি ভূমিহীন পরিবারকে ওই এলাকায় জমি দেওয়া হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য, পূর্বপুরুষেরা বন বিভাগের শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সুবাদেই পরিবারগুলো সেখানে বসতি গড়ে তোলে।

তবে আসাম সরকারের বক্তব্য, সরকারি জমি ও সংরক্ষিত বনাঞ্চল অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং বনভূমি সংরক্ষণ করতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে।

উচ্ছেদের পাশাপাশি অভিযানে মসজিদ ভাঙার অভিযোগও সামনে এসেছে। আবদুল নূরের দাবি, দুই দিনের অভিযানে ১০টির বেশি মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মসজিদের বয়স ৫০ বছরেরও বেশি।

উচ্ছেদ হওয়া কয়েকটি পরিবার প্রতিকার চেয়ে গৌহাটি হাইকোর্টে আবেদন করেছিল। তবে আদালত তাঁদের আবেদন খারিজ করে দেন।

স্ক্রলের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত জুনে লুটুমারি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে ৩০ দিনের মধ্যে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাঁরা এলাকা না ছাড়লে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে ভারতের বনাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন অল ইন্ডিয়া ইউনিয়ন অব ফরেস্ট ওয়ার্কিং পিপলস আসাম সরকারকে পরিকল্পিত উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিল।

সংগঠনটির দাবি, ওই এলাকার চারটি গ্রামের বাসিন্দারা ঔপনিবেশিক আমলে চালু হওয়া ‘টাউংয়া’ পদ্ধতির আওতায় সেখানে বসতি গড়েছিলেন। এই পদ্ধতিতে বন বিভাগের কাজে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বাসিন্দারা বনাঞ্চলে ফসল উৎপাদন করতেন। সংগঠনটির মতে, ঐতিহাসিক এই প্রেক্ষাপট বিবেচনায় না নিয়ে তাঁদের সাধারণ অবৈধ দখলদার হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়।

আসামে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অবশ্য নতুন নয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার গত এক দশকে সরকারি জমি থেকে প্রায় ১৯ হাজার পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব পরিবারের অধিকাংশই মুসলিম বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র: স্ক্রল

মন্তব্য (0)

0%
15.4%
15.4%
★69.2%
সাইন-ইন

মন্তব্য প্রকাশের আগে মডারেশন পাস করবে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

সর্বশেষ
জনপ্রিয়