Morning Times
সাম্প্রতিক
সদ্যসৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠক শেষে মস্কোর পথে পেজেশকিয়ান সদ্যআইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর সদ্যপশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ‘নির্মূল অভিযান’ চালাচ্ছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত দল সদ্যদাফনের জায়গা নেই, বসতঘরেই বৃদ্ধের কবর সদ্যভিক্ষা করে ছেলের চিকিৎসা করাইছি, এখন খোঁজও নেয় না: তাশরীফের বাবা সদ্য‘আইজিপির ক্রসফায়ারের হুমকি, তার বিষয়ে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে’ সদ্যকঠোর হলে ‘ফ্যাসিস্ট’, নীরব থাকলে ‘দুর্বল’ পুলিশ: আইজিপি সদ্যএকযোগে বদলি ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রার সদ্যসাগরে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বুধবার আঘাত হানার শঙ্কা সদ্যআকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ প্রবাসীদের সদ্যসৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠক শেষে মস্কোর পথে পেজেশকিয়ান সদ্যআইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর সদ্যপশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ‘নির্মূল অভিযান’ চালাচ্ছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত দল সদ্যদাফনের জায়গা নেই, বসতঘরেই বৃদ্ধের কবর সদ্যভিক্ষা করে ছেলের চিকিৎসা করাইছি, এখন খোঁজও নেয় না: তাশরীফের বাবা সদ্য‘আইজিপির ক্রসফায়ারের হুমকি, তার বিষয়ে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে’ সদ্যকঠোর হলে ‘ফ্যাসিস্ট’, নীরব থাকলে ‘দুর্বল’ পুলিশ: আইজিপি সদ্যএকযোগে বদলি ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রার সদ্যসাগরে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বুধবার আঘাত হানার শঙ্কা সদ্যআকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ প্রবাসীদের
ট্রেন্ডিং ক্রিকেট চলচ্চিত্র জলবায়ু ফুটবল শিক্ষানীতি শেয়ারবাজার
মর্নিং টাইমস ডেস্ক ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৫ এএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৮ এএম

ভিক্ষা করে ছেলের চিকিৎসা করাইছি, এখন খোঁজও নেয় না: তাশরীফের বাবা

ভিক্ষা করে ছেলের চিকিৎসা করাইছি, এখন খোঁজও নেয় না: তাশরীফের বাবা
ছবি: সংগৃহীত

‘মানুষের কাছে ভিক্ষা করে ছেলের চিকিৎসা করিয়েছি। অনেক কষ্টে তাকে পড়ালেখা করিয়ে হাফেজ ও মাওলানা বানিয়েছি। অথচ এখন সে আমার খোঁজখবর নেয় না, চিকিৎসার জন্য টাকাও দেয় না।’—এভাবেই ছেলে হাফেজ তাশরীফের বিরুদ্ধে নিজের কষ্ট ও অভিমানের কথা তুলে ধরেছেন তাঁর বাবা।

সম্প্রতি দৈনিক কালের কণ্ঠের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, ছেলেকে ছোটবেলা থেকে অনেক কষ্টে বড় করেছেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও ছেলের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাচ্ছেন না। নিজের অসুস্থতার সময় চিকিৎসার খরচ জোগাতেও তাঁকে অন্যের কাছে সাহায্য চাইতে হয়েছে।

তাশরীফের বাবা জানান, ছোটবেলায় তাঁর ছেলের প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তখন মানুষের কাছ থেকে টাকা চেয়ে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও মির্জাপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে দীর্ঘদিন ছেলের চিকিৎসা করান তিনি। ইমামতি করে যে সামান্য আয় হতো, তা দিয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি ছেলের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা কঠিন ছিল। এ কারণে মানুষের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল তাঁকে।

তিনি বলেন, অনেক কষ্টে ছেলের চিকিৎসা করিয়েছেন এবং পড়ালেখা করিয়ে হাফেজ ও মাওলানা বানিয়েছেন। অথচ এখন ছেলে তাঁর অবদান অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ তাঁর।

নিজের অসুস্থতার কথা তুলে ধরে তাশরীফের বাবা বলেন, একসময় চিকিৎসার খরচের জন্য ছেলের কাছে টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু জমি কেনার কথা বলে ছেলে তাঁকে অর্থ দিতে পারেনি বলে জানান তিনি। পরে গণমাধ্যমের সহায়তায় মানুষের কাছে সাহায্য চাইলে কিছু অর্থ পান। সেই টাকা দিয়ে চিকিৎসা করালেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হননি। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারার অভিযোগও করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বারবার ফোন করেও ছেলের সাড়া পান না। ছেলের ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করেও প্রতিশ্রুত অর্থ মেলেনি। একপর্যায়ে বারবার ফোন করেও কোনো ফল না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন তিনি।

তাশরীফের বাবা বলেন, ছেলের এখন অনেক টাকা ও বন্ধুবান্ধব রয়েছে। অথচ একসময় অনেক কষ্ট করে তাঁকে পড়ালেখা করিয়ে বড় করতে হয়েছে। এখন নিজের জন্য ছেলের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

তাশরীফের বাবা জানান, সম্প্রতি ভাটারা বাজার মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। তাঁর দাবি, চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ছেলে তাঁর কাছে ক্ষমা চান। পরে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলে তিনি ইমামতির চাকরি ছেড়ে দেন। কিন্তু চাকরি ছাড়ার পরও ছেলে তাঁকে কোনো টাকা দেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

কোরবানির ঈদের একটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন তাশরীফের বাবা। তাঁর ভাষ্য, ছেলে কোরবানি দেওয়ার কথা বললে তিনি এলাকার মানুষের মধ্যে মাংস বিতরণের পরামর্শ দেন। পরে ছেলের বন্ধুবান্ধবদের মাংস দেওয়া হলেও তাঁকে এক টুকরোও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সবশেষে আক্ষেপ করে তিনি বলেন, যখন ছেলের পাশে কেউ ছিল না, তখন তিনি ছিলেন। এখন ছেলে প্রতিষ্ঠিত হলেও তাঁকে আর আপন মনে করেন না বলে তাঁর ধারণা। অর্থের চেয়েও সন্তানের খোঁজখবর ও যত্ন তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তিনি।

মন্তব্য (0)

0%
15.4%
15.4%
★69.2%
সাইন-ইন

মন্তব্য প্রকাশের আগে মডারেশন পাস করবে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

সর্বশেষ
জনপ্রিয়