Morning Times
সাম্প্রতিক
সদ্য৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক সদ্যতাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় দিশার ৪ দিনের রিমান্ড সদ্যমিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন, আ.লীগ-ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মী আটক সদ্যআশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ছুটি ৫০ কারখানায় সদ্যআতঙ্কিত হবেন না, ৭০০টির মধ্যে ৫টি অটোরিকশার নিবন্ধন পাবেন সদ্যতাহসিফের মৃত্যুতে ‘বন্ধু’ দীপের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে, সেই তরুণীও গ্রেপ্তার সদ্যশ্রমিক বিক্ষোভের মধ্যে গাজীপুরে ঝুটের গুদামে আগুন, বিজিবির পাহারায় ফায়ার সার্ভিস সদ্যমিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন সদ্যরাজনীতিতে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ হয়নি: টিআইবি সদ্যপোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন নির্ধারণে ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড ঘোষণা সদ্য৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক সদ্যতাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় দিশার ৪ দিনের রিমান্ড সদ্যমিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন, আ.লীগ-ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মী আটক সদ্যআশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ছুটি ৫০ কারখানায় সদ্যআতঙ্কিত হবেন না, ৭০০টির মধ্যে ৫টি অটোরিকশার নিবন্ধন পাবেন সদ্যতাহসিফের মৃত্যুতে ‘বন্ধু’ দীপের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে, সেই তরুণীও গ্রেপ্তার সদ্যশ্রমিক বিক্ষোভের মধ্যে গাজীপুরে ঝুটের গুদামে আগুন, বিজিবির পাহারায় ফায়ার সার্ভিস সদ্যমিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন সদ্যরাজনীতিতে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ হয়নি: টিআইবি সদ্যপোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন নির্ধারণে ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড ঘোষণা
ট্রেন্ডিং ক্রিকেট চলচ্চিত্র জলবায়ু ফুটবল শিক্ষানীতি শেয়ারবাজার
মর্নিং টাইমস ডেস্ক ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
আপডেট: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৬ পিএম

৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক

৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক
ছবি: সংগৃহীত

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের কারণে কয়েকটি এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কিছু কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছেন মালিকপক্ষ।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, ডিএমপি, গাজীপুর-ময়মনসিংহ এবং সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী শিল্পাঞ্চলে মোট ৩১৮টি পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ৭ লাখ ২ হাজার ২৫৫ জন শ্রমিক কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে গেছেন।

বিজিএমইএর হিসাব অনুযায়ী, ডিএমপি এলাকার ৩২০টি কারখানার মধ্যে মিরপুরে বন্ধ রয়েছে ৬৮টি। এসব কারখানার ৫১ হাজার ৬২৫ জন শ্রমিক কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন।

গাজীপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৮৩৬টি কারখানার মধ্যে ২২৫টি বন্ধ রয়েছে। এ দুই অঞ্চলে কাজ বন্ধ রেখে বেরিয়ে গেছেন ৫ লাখ ২৫ হাজার ৩৬০ জন শ্রমিক।

এদিকে সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী শিল্পাঞ্চলের ৪৪১টি কারখানার মধ্যে ২৫টি বন্ধ রয়েছে। এসব কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭০ জন শ্রমিক।

পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে মোট ২ হাজার ১৩৪টি পোশাক কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮১৬টি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চালু থাকলেও শ্রমিক অসন্তোষের কারণে বন্ধ রয়েছে বাকি ৩১৮টি।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লেও সেই অনুপাতে তাদের আয় বাড়েনি। ফলে বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি চাকরিতে নারী শ্রমিকদের বেশি অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে পুরুষ শ্রমিকেরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি তাদের। এসব সমস্যার সমাধানে ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুল হক সজীব জানান, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিভিন্ন কারখানার মালিকরা ছুটি ঘোষণা করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সদস্যরা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।

শিল্প পুলিশ আশুলিয়া জোনের পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম বলেন, যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।

অন্যদিকে, শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। রোববার চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, কোনাবাড়ী, মৌচাক, নাওজোড় ও ভোগড়া বাইপাস এলাকায় বিজিবি সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বিজিবি জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিকে কেন্দ্র করে চলমান অসন্তোষ যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, গাজীপুর জেলা প্রশাসনের পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচটি এলাকায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এলাকাগুলো হলো—চন্দ্রা ও পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, কোনাবাড়ী ও মৌচাক, নাওজোড় এবং ভোগড়া বাইপাস।

মন্তব্য (0)

0%
15.4%
15.4%
★69.2%
সাইন-ইন

মন্তব্য প্রকাশের আগে মডারেশন পাস করবে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

সর্বশেষ
জনপ্রিয়