Morning Times
সাম্প্রতিক
সদ্যআজ জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সফর সঙ্গী হচ্ছেন যারা সদ্যমধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে কি ক্ষমতা হারাবেন ট্রাম্প? সদ্যইরানে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের মার্কিন হামলা! সদ্যসৌদির দুই রুটে ফ্লাইট স্থগিত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত সদ্যতত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদ্যমোহাম্মদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার সদ্যপাঠ্যবই থেকে দাঁড়িপাল্লার ছবি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত সদ্যবিত্তবান ব্যবসায়ীদের ফাঁদে ফেলত হানিট্র্যাপ চক্র সদ্যবিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার স্বর্ণের চুড়ি উদ্ধার সদ্য৭৫ হাজার টাকার শাড়ির মামলা, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে তদন্তে সিআইডি সদ্যআজ জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সফর সঙ্গী হচ্ছেন যারা সদ্যমধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে কি ক্ষমতা হারাবেন ট্রাম্প? সদ্যইরানে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের মার্কিন হামলা! সদ্যসৌদির দুই রুটে ফ্লাইট স্থগিত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত সদ্যতত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদ্যমোহাম্মদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার সদ্যপাঠ্যবই থেকে দাঁড়িপাল্লার ছবি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত সদ্যবিত্তবান ব্যবসায়ীদের ফাঁদে ফেলত হানিট্র্যাপ চক্র সদ্যবিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার স্বর্ণের চুড়ি উদ্ধার সদ্য৭৫ হাজার টাকার শাড়ির মামলা, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে তদন্তে সিআইডি
ট্রেন্ডিং ক্রিকেট চলচ্চিত্র জলবায়ু ফুটবল শিক্ষানীতি শেয়ারবাজার
মর্নিং টাইমস ডেস্ক ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৫ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪০ পিএম

ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে অংশ নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে নিয়ে এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারসংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে রোববার রাতে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কোনো ব্যক্তির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে পিস্তল হাতে অংশ নেন ইশরাক। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনের হাতেও আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এতে বিএনপি ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়েও অসন্তোষ তৈরি হয়। ঘটনার পরদিনই প্রতিমন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলো।

বিএনপি ও সরকারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নিয়ে আপত্তি নেই। তবে একজন প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিবর্তে তিনি কেন নিজেই এমন ভূমিকায় গেলেন, তা নিয়ে দলের ভেতরে আলোচনা হয়েছে।

বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন রাজধানীর হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকা পরিদর্শন করে সেবার মান এবং পরিবেশ উন্নয়নে নির্দেশনা দিচ্ছেন, তখন প্রতিমন্ত্রীর এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির একজন সদস্য বলেন, ঘটনাটি শুধু ইশরাকের ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও বিব্রত হয়েছেন। তাঁর মতে, একজন প্রতিমন্ত্রীর আচরণের দায় মন্ত্রিসভার ওপরও বর্তায়।

শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর ১৩টি স্থানে আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকার পরিচ্ছন্নতা এবং সেবার মান পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য সময়সীমাও নির্ধারণ করে দেন। ওই দিন বিকেলেই ইশরাকের অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়ার ঘটনা ঘটে। দল ও সরকারসংশ্লিষ্ট কয়েকজনের ধারণা, প্রতিমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডের কারণে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শন ঘিরে তৈরি হওয়া ইতিবাচক আলোচনা আড়ালে চলে যায়।

এ অবস্থায় ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার ঘটনাকে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আচরণ ও জবাবদিহির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

অভিযানে অস্ত্র হাতে ইশরাক

শনিবার বিকেলে ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুন্টিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে যান। তাঁর নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে তিনি চিৎকার করে লোকজনকে ধরতে বলছেন। এ সময় পাশে থাকা একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীরা কয়েকজনকে ধরতে এগিয়ে যান। তাঁদের একজন এক তরুণকে লাথি মারেন। এ সময় কয়েকজনকে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বলতে শোনা যায়, ‘স্যার আমি কিছু করিনি। আমি গরিব মানুষ স্যার।’ অন্য একটি ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে দেখা যায়।

অভিযানে ইশরাকের ব্যক্তিগতভাবে নিয়োগ দেওয়া দুই দেহরক্ষী তোফাজ্জল হোসেন ও লাভলুর পাশাপাশি একজন সরকারি দেহরক্ষীও ছিলেন। ব্যক্তিগত দেহরক্ষীদের কাছেও অস্ত্র ছিল। ভিডিওর কিছু অংশে ইশরাকের হাতে থাকা পিস্তলের দৃশ্য অস্পষ্ট করা হলেও অন্য অংশে আগ্নেয়াস্ত্রটি স্পষ্ট দেখা যায়। গুলি করার হুমকি দেওয়া ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার পর একজন প্রতিমন্ত্রীর এভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে অভিযান পরিচালনার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালার ২৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র বহন ও ব্যবহার করা গেলেও অন্যের মধ্যে ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টি করতে পারে—এমনভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না।

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার ডিএমপির গণমাধ্যম কেন্দ্রে এক সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব ওয়ারী বিভাগের উপকমিশপনারকে দেওয়া হয়েছে। আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আত্মরক্ষার যুক্তি ইশরাকের

অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়া নিয়ে সমালোচনার মধ্যে রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বক্তব্য দেন ইশরাক হোসেন। তিনি দাবি করেন, মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নিতেই সেখানে গিয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে কর্মসূচিটি নেওয়া হয়েছিল।

ইশরাক জানান, ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারের অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জনবলসংকট দূর করা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগও নিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিযানে যাওয়ার আগে তিনি খবর পেয়েছিলেন, মাদক কারবারিরা ভবনের ছাদ থেকে গুলি চালাতে পারে। একটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানার কাছে পৌঁছানোর পর ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি হইচই করতে করতে তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় নিজের ও অন্যদের নিরাপত্তার জন্য তিনি এবং তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

নিজের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রটি বৈধ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত উল্লেখ করে ইশরাক বলেন, আত্মরক্ষার প্রয়োজনেই সেটি প্রদর্শন করেছিলেন। তাঁর দাবি, এতে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।

অভিযানের সাফল্যের বিষয়টিও বিবৃতিতে তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর দাবি, অভিযানে চার-পাঁচটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সেখান থেকে মাদকদ্রব্য, অস্ত্র, নগদ অর্থ ও ছিনতাই করা মুঠোফোন জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ছয়জনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ইশরাকের অভিযোগ, এসব বিষয় বিবেচনায় না নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যম ঘটনার খণ্ডিত চিত্র প্রকাশ করেছে। সমালোচনার মধ্যেও মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

তবে অভিযানের আগে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। শনিবার ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মাসুদ রানা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, প্রতিমন্ত্রী অভিযানের বিষয়ে পুলিশকে আগাম জানাননি। পরে তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। ইশরাকও শনিবার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর প্রায় ১০ মিনিট পর তিনি পুলিশকে সেখানে আসতে বলেন।

এর আগে পদত্যাগ করেন সংসদ সদস্য মিষ্টি

ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার আগে বিতর্কিত একটি ঘটনায় ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নাম জড়ানোর পর বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকেও পদ ছাড়তে হয়েছিল।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভবন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মিষ্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজনের নাম আলোচনায় আসে। বিষয়টি নিয়ে দল ও সরকারের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয় এবং ঘটনার রাজনৈতিক দায় নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে হামলা ও ভাঙচুরে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন মিষ্টি।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনার পর গত ১ অক্টোবর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। পরে সংসদ সচিবালয় তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা করে।

মিষ্টির পদত্যাগের প্রায় আড়াই সপ্তাহের মাথায় এবার অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা ছাড়ার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী। দুই ক্ষেত্রেই দল ও সরকারকে বিব্রত করা কর্মকাণ্ডের পর পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার ঘটনা সামনে এল। সূত্র: প্রথম আলো

মন্তব্য (0)

0%
15.4%
15.4%
★69.2%
সাইন-ইন

মন্তব্য প্রকাশের আগে মডারেশন পাস করবে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

সর্বশেষ
জনপ্রিয়