রাত পোহালেই বহুল আলোচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ। নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ভোটের পরিবেশ, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় নেতা দেলাওয়ার হোসেন। আসনটিতে দুই দলেরই সাংগঠনিক ভিত্তি থাকায় উপনির্বাচনটি রাজনৈতিক প্রভাব ও জনসমর্থন যাচাইয়ের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।
দুই দলের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।
এদিকে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী বলে জানা গেছে।
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে তাঁদের মতামত জানাবেন। শেষ পর্যন্ত আসনটিতে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমিন নাকি জামায়াতের দেলাওয়ার হোসেন জয়ী হন, এখন সেদিকেই নজর প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের।
সৌদি থেকে ৯ মাসে এসেছে ২ হাজার মরদেহ, অনেকে জানেন না সন্তানের বাবা কে?